আলোকিত বোয়ালখালী ডেস্ক
সময়ের বরকত হলো অল্প সময়ে অনেক বেশি ও গুণগত কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতা, যা কাজের সফলতা ও প্রশান্তি নিয়ে আসে। বরকত লাভের মূল চাবিকাঠি হলো সকালের সময়কে কাজে লাগানো, অলসতা ত্যাগ করা, কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেওয়া এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা [২, ৫, ৬]। ফজরের পর না ঘুমানো এবং কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করা সময়ের বরকত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে
সময়ের বরকত লাভের উপায়:
- ফজরের পর না ঘুমানো: রাসূল (সা.) উম্মতের জন্য সকালের সময়ে বরকতের দুআ করেছেন, তাই ভোরে কাজ শুরু করা বরকতের কারণ।
- পরিকল্পনা ও রুটিন: কাজের একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন এবং সময়ে কাজ সময়ে শেষ করুন।
- অলসতা পরিহার: সময়ের অপচয় না করে দ্রুত কাজে লেগে পড়ুন, কারণ কিয়ামতের আগে সময় দ্রুত চলে যাবে এবং বরকত কমে যাবে।
- আল্লাহর স্মরণে দিন শুরু: দিনের শুরুটা আল্লাহর স্মরণে এবং ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে করুন।
- ধৈর্য ও নিষ্ঠা: কাজের প্রতি আন্তরিকতা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা ।
বরকত হ্রাসের লক্ষণ:
বর্তমান সময়ে কাজ বেড়ে গেলেও সময়ের বরকত কমে যাচ্ছে, যার অর্থ দীর্ঘ সময়েও খুব কম কাজ সম্পন্ন হওয়া।
বর্তমান সময়ে কাজ বেড়ে গেলেও সময়ের বরকত কমে যাচ্ছে, যার অর্থ দীর্ঘ সময়েও খুব কম কাজ সম্পন্ন হওয়া।
সংক্ষিপ্ত আমল:
সকাল-সন্ধ্যায় কুরআন তিলাওয়াত এবং মাসনুন দুআ পড়ার মাধ্যমেও সময়ের বরকত অর্জিত হয়।
সকাল-সন্ধ্যায় কুরআন তিলাওয়াত এবং মাসনুন দুআ পড়ার মাধ্যমেও সময়ের বরকত অর্জিত হয়।





