আলোকিত বোয়ালখালী ডেস্ক
সময়ের বরকত হলো অল্প সময়ে অনেক বেশি ও গুণগত কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতা, যা কাজের সফলতা ও প্রশান্তি নিয়ে আসে। বরকত লাভের মূল চাবিকাঠি হলো সকালের সময়কে কাজে লাগানো, অলসতা ত্যাগ করা, কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেওয়া এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা [২, ৫, ৬]। ফজরের পর না ঘুমানো এবং কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করা সময়ের বরকত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে [১, ৫, ১২]।
সময়ের বরকত লাভের উপায়:
- ফজরের পর না ঘুমানো: রাসূল (সা.) উম্মতের জন্য সকালের সময়ে বরকতের দুআ করেছেন, তাই ভোরে কাজ শুরু করা বরকতের কারণ [১, ৫]।
- পরিকল্পনা ও রুটিন: কাজের একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন এবং সময়ে কাজ সময়ে শেষ করুন [২]।
- অলসতা পরিহার: সময়ের অপচয় না করে দ্রুত কাজে লেগে পড়ুন, কারণ কিয়ামতের আগে সময় দ্রুত চলে যাবে এবং বরকত কমে যাবে [৩, ১২]।
- আল্লাহর স্মরণে দিন শুরু: দিনের শুরুটা আল্লাহর স্মরণে এবং ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে করুন [৫]।
- ধৈর্য ও নিষ্ঠা: কাজের প্রতি আন্তরিকতা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা [৭]।
বরকত হ্রাসের লক্ষণ:
বর্তমান সময়ে কাজ বেড়ে গেলেও সময়ের বরকত কমে যাচ্ছে, যার অর্থ দীর্ঘ সময়েও খুব কম কাজ সম্পন্ন হওয়া [৩, ১২]।
বর্তমান সময়ে কাজ বেড়ে গেলেও সময়ের বরকত কমে যাচ্ছে, যার অর্থ দীর্ঘ সময়েও খুব কম কাজ সম্পন্ন হওয়া [৩, ১২]।
সংক্ষিপ্ত আমল:
সকাল-সন্ধ্যায় কুরআন তিলাওয়াত এবং মাসনুন দুআ পড়ার মাধ্যমেও সময়ের বরকত অর্জিত হয় [৮, ১৩]।
সকাল-সন্ধ্যায় কুরআন তিলাওয়াত এবং মাসনুন দুআ পড়ার মাধ্যমেও সময়ের বরকত অর্জিত হয় [৮, ১৩]।











