





সংগ্রাহক : মো. তাজুল ইসলাম রাজু :
প্রকাশ: ২৪ মে ২০১৯
মাইজভাণ্ডারী সূফীবাদের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, এর প্রাগ্রসর বক্তব্য ও কর্মযজ্ঞসমূহ ক্ষেত্রবিশেষে স্থবিরজনদের সমালোচনার সম্মুখীন যেমন হয়েছে, সেইসাথে সমাজজীবনের শ্রেষ্ঠতম প্রতিনিধি, স্বনামধন্য বিশিষ্ট ব্যক্তি ব্যক্তিত্বদের সপ্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণেও সমর্থ হয়েছিল তাৎপর্যপূর্ণভাবে। এর মধ্যে ধর্মীয় পরিমণ্ডলে মাওলানা আমিনুল হক ফরহাদাবাদী ও আজিজুল হক শেরে বাংলা, রাজনৈতিক অঙ্গনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ও শেখ মুজিবুর রহমান, সাহিত্যাঙ্গনে কবি সুফিয়া কামাল ও পল্লীকবি জসীম উদ্দীন, গবেষণা ও মেধা মননের জগতে মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন, ডক্টর এনামুল হক ও সাহিত্যিক আবুল ফজলের নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। এইরূপ ৬৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অভিমত পূর্ণাঙ্গ তথ্যসূত্র সহকারে নিম্নে সন্নিবেশিত করা হোলঃ
১. “হযরত শাহ আহমদউল্লাহ কাদেরী, যিনি ভু-খন্ডের পূর্বাঞ্চলে বিকশিত কুতুবুল আখতাব; তিনি মাইজভান্ডার সিংহাসনে গাউছুল আজম নামধারী বাদশাহ। রাসুল (সঃ) এর নিকট শ্রেষ্ঠ বেলায়তের দুটি তাজ বা সন্মানের প্রতীক ছিল। এর একটি জিলান নগরের বাদশা হযরত শায়খ সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (কঃ) এর মস্তক মোবারকে প্রতিষ্ঠিত, যে কারণে সমস্ত আউলিয়াদের গর্দানে তাঁর পা মোবারক প্রতিষ্ঠিত, অর্থাৎ সমস্ত আউলিয়া তাঁর আনুগত্য স্বীকারে বাধ্য। অপর তাজটি নিশ্চিতভাবে হযরত শাহ আহমদউল্লাহ (কঃ) এর মস্তক মোবরকে প্রতিষ্ঠিত। যেই কারণে তিনি পূর্বাঞ্চলের গাউছুল আজম বলে খ্যাত। সেই কারণে তাঁর রওজা মোবারক মানব-দানবের জন্য খোদায়ী বরকত হাসেলের উৎসে পরিণত হয়েছে।”
-আজিজুল হক শেরে বাংলা আলকাদেরী
[তৎকালীন র্পূব পাকিস্তানের আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের আমির, চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার মাওলানা আজিজুল হক আলকাদেরীর [প্রকাশঃ শেরে বাংলা] ফার্সি ভাষার লিখিত ‘দিওয়ানে আজিজ’ গ্রন্থে ‘নজরে আকিদত’ এর ভাবানুবাদ। উদ্ধৃতঃ বেলায়তে মোতলাকা, পৃ. ৪৭]
২. “মানবপ্রেম, সামাজিক কল্যাণ ও আত্মিক সমৃদ্ধিতে মাইজভান্ডার দরবার শরীফ আমাদের দেশে অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। এদেশে ইসলামের মহানবাণী প্রচারে মাইজভান্ডার দরবার শরীফের অবদান তাই অনস্বীকার্য।”
-আবদুর রহমান বিশ্বাস
[প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, উৎসধারা, পূর্বোক্ত]
৩. “সকল অশুভ শক্তির বিনাশ ও বিশ্বব্যাপী সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ব ও ইনসাফের অমিয়ধারা একমাত্র নির্মোহ, নৈর্ব্যক্তিক ও প্রেমময় আধ্যাত্মিকতাই দিতে পারে- যা মাইজভান্ডারী দর্শনে বিধৃত হয়েছে। মানবের দায়িত্ব, নৈতিকতা ও মহাত্মতা সৃষ্টিতে এই দর্শনের অবদান অপরিসীম।”
-আবদুর রাজ্জাক
[রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন মন্ত্রী-পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, আলোকধারা, মাইজভান্ডার গাউছিয়া হক মনজিলের মাসিক মুখপত্র, ১৯৯৭]
৪. “মহাপ্রভুর আসন রবি উদিত হয়েছে, মানবাকারে খোদার গোপন রহস্য প্রকাশ পেয়েছে। ত্রিভূবন ছিল যাঁর আগমনের অপেক্ষায়, আজ সেই আশার ফুলরাজ প্রস্ফুটিত হয়েছে। যাঁকে নিয়ে নবীবর আহমদ মোস্তফা (দঃ) গৌরব করতেন, আজ সেই গৌরব, সূফীদের সারতত্বখনি জগতে আবির্ভূত হয়েছেন। …..হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা আহমদ মোস্তাফা (দঃ) নবীদà§
