দেশের ইতিহাসে ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচনের বিষয়টি। ভিত্তিপ্রস্তরের ফলকে নাম দিতে চাচ্ছেন না প্রধান উপদেষ্টা। ফলে প্রধান উপদেষ্টার নাম ছাড়াই ফলক তৈরি করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রধান উপদেষ্টার হাতে চট্টগ্রামবাসীর এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কারণে চান্দগাঁও–বোয়ালখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসী উৎফুল্ল। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হওয়ার আশায় ওই এলাকার মানুষের মাঝে উৎসাহ–উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কালুরঘাট রেল–কাম সড়ক সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে নির্বিঘ্ন ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বর্তমান পুরাতন সেতুর পাশে কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর উপর নতুন রেল–কাম সড়ক সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রেলপথ মন্ত্রণালয় ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করবে।
প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর থেকে জানা গেছে, এঙট্রা ডোজ টাইপ সেতুটির এক পাশে দুটি ডুয়েলগেজ রেলপথ ছাড়াও অন্য পাশে স্ট্যান্ডার্ড মানের দুই লেনের (প্রতিটি লেন ১৮ ফুট) সড়ক ছাড়াও উভয় পাশে সার্ভিস লেনসহ (৫ ফুট করে) পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা হবে। সেতুটির নদীর অভ্যন্তরে পাঁচটিসহ মোট সাতটি স্প্যান থাকবে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) প্রকৌশলী মো. সবুক্তগীণ আজাদীকে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে কর্ণফুলী নদীর উপর কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করবেন। সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ কালুরঘাট রেল–কাম সড়ক সেতু নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় দোহাজারী–কঙবাজার রেললাইন প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরীকে।
ভূমি অধিগ্রহণসহ সেতু নির্মাণের কাজ পুরোদমে কবে শুরু হবে–এমন প্রশ্নের জবà
