বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
সূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
http://www.ecs.gov.bd/Bangla

নিবন্ধন নম্বর

০২৭

নিবন্ধন তারিখ

১৩/১১/২০০৮

প্রতীক

গাভী

প্রতীক নমুনা

চেয়ারম্যান

জেবেল রহমান গাণি

সাধারণ সম্পাদক

এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানা

৮৫ নয়াপল্টন (৬ষ্ঠ তলা), মসজিদ গলি, ঢাকা-১০০০

মোবাইল

০১৭১১৫২৭২৪২ (চেয়ারম্যান), ০১৭১৬২২৫৮৪৬ (মহাসচিব), ০১৭১১২০১৯২৯ (দপ্তর সম্পাদক)

ইমেইল

sgbnap1957@gmail.com, jghaani.bdnap@gmail.com

 

১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ৮-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ভাসানী পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তি বাতিলের দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রী সোহ্‌রাওয়ার্দী সেই দাবি প্রত্যাখান করলে, ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগ থেকে আব্দুল হামিদ খান ভাসানি পদত্যাগ করেন। এই বছর ২৫ জুলাই ভাসানি ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলের একটি সম্মেলনে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’ (ন্যাপ) গঠিত হয়। এই সময় শেখ মুজিবর রহমান মন্ত্রিত্ব (কৃষি ও বন মন্ত্রী) ত্যাগ করে আওয়ামী লীগকে  সংগঠিত করার দায়িত্ব নেন। এদের প্রধান লক্ষ্য ছিল-  গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, অসাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলা।

১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে ন্যাপের উদ্যোগে ব্রহ্মপুত্র নদের চরে ফুলছড়িতে কৃষক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সম্মেলনে ‘কৃষক সমিতি’ গঠিত হয়েছিল। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ৭ অক্টোবর দেশে সামরিক শাসন জারি হলে আইয়ুব খান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন এবং সকল রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। ১২ অক্টোবর মাওলানা ভাসানীকে কুমুদিনী হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়।

১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত, জেলে থাকার সময়ে তিনি বন্যাদুর্গতদের সাহায্য ও পাটের ন্যায্যমূল্যসহ বিভিন্ন দাবিতে অনশন ধর্মঘট পালন করেন। ৩ নভেম্বর তিনি মুক্তিলাভ করেন। এরপর তিনি ন্যাশনাল ডেমোক্রাটিক ফ্রন্ট-এর রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত হন।

১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে ন্যাপের পক্ষ থেকে আইয়ুব খানের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর চীনের বিপ্লব দিবস-এর উৎসবে যোগদানের জন্য ঢাকা ত্যাগ করেন এবং চীনে সাত সপ্তাহ অবস্থান করেন।

১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ ফেব্রুয়ারি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি পুনরুজ্জীবিত করে দলের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং এই বছরের ২১ জুলাই-তে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) গঠনে ভূমিকা পালন করেন। এই বৎসরে তিনি হাভানায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগদান করেন। মওলানা ভাসানীর আহবানে সর্বদলীয় প্রত্যক্ষ ভোটাধিকার সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ মার্চ সর্বজনীন ভোটাধিকার দিবস পালিত হয়। ১৯৬৫ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ন্যাপ সংযুক্ত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে মিস ফাতেমা জিন্নাহর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছিল।  

১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের দিকে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক মতবিরোধের কারণে ন্যাপের ভিতরে ভাঙ্গনের সূত্রপাত হয়েছিল। ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের কাউন্সিল অধিবেশনের পূর্বে মস্কোপন্থী নেতারা বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা চালায়। তাই মশিউর রহমান যাদু মিয়ার পরামর্শে রংপুরে কাউন্সিল অধিবেশন আহ্বান করা হয়।

১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩রা নভেম্বর ন্যাপ ১০ দফা দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন শুরু করে। ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে নভেম্বর রংপুরে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল অধিবেশনের পর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রশ্নে ন্যাপ চীনপন্থী ও মস্কোপন্থী এ দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই সময় চীনপন্থী ন্যাপের সভাপতি হন মওলানা ভাসানী এবং মস্কোপন্থী ন্যাপের সভাপতি হন সীমান্ত প্রদেশের খান আবদুল ওয়ালী খান। এই সময় পূর্ব পাকিস্তান ওয়ালী ন্যাপের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ। পরে এই অংশ মোজাফফর ন্যাপ নামে পরিচিত লাভ করে।

এই বছরের ৬ ডিসেম্বর ভাসানী ন্যাপ  ‘জুলুম প্রতিরোধ দিবস’ পালন করে। ঐদিন পল্টনে এক জনসভা শেষে মওলানা ভ