আলোকিত বোয়ালখালী ডেস্ক
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্তির আদেশে ৪টি বিষয় বিবেচনা করা হয়:
অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের মূল উদ্দেশ্য-যে ব্যক্তির সম্পত্তি অর্পিত হিসাবে তালিকাভূক্ত হইয়াছে সেই মূল মালিক বা তাহার উত্তরাধিকারী বা উক্ত মূল মালিক বা উত্তরাধিকারীর নিকট হইতে যে ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তি ক্রয় বা অন্য কোনভাবে অর্জন করিয়াছেন সেই ব্যক্তি কিংবা তাহাদের অনুপস্থিতিতে দখলরত সহ-অংশীদারকে অর্পিত সম্পত্তি ফেরত দেওয়া।
ক) কাজেই ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিবেচনার বিষয় হইতেছে যে আবেদনকারী (applicant) সংশ্লিষ্ট অর্পিত সম্পত্তির মালিক কিনা।
খ) অপর একটি বিশেষ বিবেচনার বিষয় হইতেছে যে, উক্ত মালিক Bangladesh Citizenship (Temporary Provisions) Order, 1972 (P.O. No. 149 of 1972) অনুসারে বাংলাদেশের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা কিনা।
গ) তৃতীয় বিবেচনার বিষয় হইতেছে আবেদন পত্রটি নির্দিষ্ট সময় সীমার মধ্যে দাখিল হইয়াছে কিনা।
ঘ) আবেদনকারী সহ-অংশীদার হইলে তিনি সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখলকার আছেন কিনা তাহাও ট্রাইব্যুনালকে নির্ধারণ করিতে হইবে।
ট্রাইব্যুনাল এই সকল বিষয়গুলি বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় দালিলিক ও মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করিবেন। তাহাছাড়া ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজন মনে করিলে কোন সহকারী জজ বা জুডিসিয়াল বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন সরকারী কর্মকর্তা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমাটি সংক্রান্ত কোন বিষয়ে অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারিবেন।
ট্রাইব্যুনাল যদি সন্তুষ্ট হন যে উপরোক্ত বিষয়গুলো (issues) প্রমাণিত হইয়াছে, তবে তিনি সংশ্লিষ্ট অর্পিত সম্পত্তি আবেদনকারী বরাবরে অবমুক্তির আদেশ দিবেন।
কামরুল ইসলাম, ভূউসক।
১৩/০৪/২০২৬
Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here