চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে একই মামলায় দুই রকম প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়েছেন ভুক্তভোগী। গতকাল দুপুরে পশ্চিম কধুরখীল এলাকার বাসিন্দা আবদুল মান্নান সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে কিছু জায়গা কিনেছেন তিনি। ওই জায়গা তাঁর ভোগদখলেও রয়েছে। এ অবস্থায় জায়গাটি নিয়ে চাঁন্দগাঁও থানাধীন ইস্পাহানী জেটি রোড পাঠানপাড়া এলাকার রেজাউল করিমের স্ত্রী জ্যোত্স্না আকতার বাদী হয়ে ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় বোয়ালখালী সহকারী কামিশনার (ভূমি) মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে দখল বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ২০২০ সালের ১৮ জুন প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে তিনি জায়গাটি খরিদের পর থেকে বিবাদীকে ভোগদখলে দেখান। একই সঙ্গে মামলার বাদীর জায়গাটি ভিন্ন জায়গায় নির্দেশ করেন। পরবর্তী সময়ে বাদী জ্যোত্স্না আকতার এই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করলে আদালত তা আমলে নিয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ পেয়ে গত ১৯ জানুয়ারি বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) পুনরায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে তিনি বিরোধীয় সম্পত্তি বিবাদী জোর করে দখলে রেখেছে বলে উল্লেখ করেন।

এ ব্যাপারে বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘প্রথম প্রতিবেদনটি সার্ভেয়ার দিয়েছে। দ্বিতীয় প্রতিবেদনটি তিনি সরেজমিনে গিয়ে দেখে দিয়েছেন। বিরোধীয় সম্পত্তি আবদুল মান্নানের ৭ শতাংশ। তিনি দখলে আছেন ১১ শতাংশ। এ ছাড়া এই জায়গা বাদীর দখলে থাকায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সন্তুষ্ট হয়ে প্রার্থীর অনুকূলে ব্যাংক লোন দিয়েছেন।’

খবর দৈনিক কালের কণ্ঠ

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here