উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শাস্তি বাস্তবায়ন শুরু করবে আওয়ামী লীগ। কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২৮ জুলাই থেকে শুরু হবে শাস্তি।
কাদের বলেন, ‘শাস্তির ধরণ হতে পারে কাউকে শো কজ এবং কাউকে কাউকে সাসপেন্ড করে শো কজ। আবার কাউকে কারণ দর্শাতে বলা হবে। সেটা বাস্তবায়নের কার্যকারিতা শুরু হবে ২৮ জুলাই থেকে।’
শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সহযোগী সংগঠনগুলোর সাথে এক যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যারা উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহ করেছে এবং যারা মদদ দিয়েছে তাদের ব্যাপারে আমরা সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন করবো। এ নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করেছি।
আমাদের বিভাগীয় পর্যায়ের দায়িত্বরত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের নেতৃত্বে টিম আছে, তারাই এই কমপ্লেইনগুলো দেখবে।’
এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অফিসে ২শটির মতো অভিযোগ জমা পড়েছে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘এই অভিযোগগুলো স্ব স্ব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের দিয়ে দিচ্ছি। কারণ কোনো অভিযোগ ব্যক্তিগত শত্রুতায় অনেক সময় দিয়ে থাকতে পারে। কাজেই বিষয়গুলো দেখার জন্য তারা দায়িত্ব পালন করবেন ২৭ জুলাই পর্যন্ত। ২৮ তারিখ থেকে আমরা বিভাগীয় টিমের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস্তবায়নে যাবো।’
এ পর্যন্ত কত জনকে চিহ্নিত করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, আমরা ফাইন্ড আউট করেছি বলিনি। আমি বলেছি, যেগুলো অভিযোগ আকারে এসেছে বা আসবে। এগুলো স্ব স্ব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা যাছাইবাচাই করবে। আবার কোনো কোনো অভিযোগ বাদও যেতে পারে।
এছাড়াও অতি বৃষ্টি ও ভারত ও ভুটানের উজান থেকে আসা ঢলের বন্যা কবলিত এলাকায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে ছয়টি টিম ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম এবং বন্যা কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন এলাকায় যাবে বলেও জানান তিনি।
শোকাবহ আগস্ট মাসজুড়ে আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠন ও ঢাকা মহানগর শাখা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বলেও জানান তিনি।
যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, আজমত উল্লা খান, আমিরুল আলম মিলন, এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছারসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।






