চট্টগ্রামের ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকসাস ডিজিজেজ-এ (বিআিইটিআইডি) করোনা শনাক্তকরণ কিট সংকটের সমাধান হয়েছে। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়ার হস্তক্ষেপে চট্টগ্রামের জন্য আরও ১৯২০টি রি-এজেন্টসহ কিট পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। অধিদফতরে চট্টগ্রামের জন্য আরও পাঁচ হাজার কিটের চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ১৯২০টি রি-এজেন্টসহ কিট গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এরপর তার গাড়িতে করে সেগুলো বিআইটিআইডিতে পাঠানো হচ্ছে।

বিআইটিআইডি’র ল্যাব প্রধান ডা. শাকিল আহমেদ বলেন, ‘সেভাবে কিটের বড় কোনো সংকট আমাদের নেই। শুক্রবার পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজনীয় কিট আমাদের আছে। আরও কিট গাড়িতে উঠে গেছে। সেগুলো রাতের মধ্যে আশা করি আমরা পাব। এই কিট দিয়ে আরও প্রায় দুই হাজার নমুনা আমরা পরীক্ষা করতে পারব।’

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ১৯২০টি রি-এজেন্টসহ কিট গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এরপর তার গাড়িতে করে সেগুলো বিআইটিআইডিতে পাঠানো হচ্ছে।

বিআইটিআইডি’র ল্যাব প্রধান ডা. শাকিল আহমেদ বলেন, ‘সেভাবে কিটের বড় কোনো সংকট আমাদের নেই। শুক্রবার পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজনীয় কিট আমাদের আছে। আরও কিট গাড়িতে উঠে গেছে। সেগুলো রাতের মধ্যে আশা করি আমরা পাব। এই কিট দিয়ে আরও প্রায় দুই হাজার নমুনা আমরা পরীক্ষা করতে পারব।’

গত ৩০ মার্চ স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও ৯০০ কিট সংগ্রহ করে বিআইটিডিতে নিজে পৌঁছে দিয়েছিলেন উপমন্ত্রী নওফেল। তার হস্তক্ষেপেই গত ২৬ মার্চ থেকে বিআইটিআইডিতে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের অনুমতি দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। চট্টগ্রামে একমাত্র বিআইটিআইডিতে করোনা শনাক্তকরণ হচ্ছে। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবেও নমুনা পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে।

উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘আগে ৯৬০টি কিট বিআইটিআইডিতে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এর সঙ্গে রি-এজেন্টসহ আনুষাঙ্গিক ইক্যুইপমেন্ট ছিল না। ফলে সেগুলো অব্যবহৃত থাকায় কিট সংকটের কথা বলা হচ্ছিল। এবার রি-এজেন্টসহ কিট পাঠানো হয়েছে। আগের কিটগুলো দিয়েও নমুনা পরীক্ষা হবে। এছাড়া আমি স্বাস্থ্য অধিদফতরে আরও ৫ হাজার কিটের চাহিদাপত্র দিয়েছি। সেটা আগামী সপ্তাহের শেষে পেতে পারি।’

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও করোনা বিষয়ক সমন্বয় সেলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘কিট সংকটের কারণে চট্টগ্রামে নমুনা পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যাবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। বাস্তবে সংকট সেভাবে ছিল না। এরপরও আমাদের কেন্দ্রীয় নেতা বিপ্লব বড়ুয়া বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। উপমন্ত্রী নওফেলও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি নিজে স্বাস্থ্য অধিদফতরে গিয়ে কিট সংগ্রহ করেন। এর ফলে আপাতত কিট সংকটের কোনো আশঙ্কাই থাকল না।’

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here